তারিখ : ৩০ নভেম্বর ২০২০, সোমবার
[ ] [ ] পাঠক সংখ্যা : 1231399


                   ফটোগ্রাফারদের জন্য একটি উন্মক্ত সাইড

গাজীপুরের শ্রীপুরে নোমান শিল্প গ্রুপের ৫ প্রতিষ্ঠানে কর্মবিরতি,বিক্ষোভ,ভাংচুর,লাঠিচার্জ,কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ

প্রকাশকাল : ১০/২/২০১৪ ১:৩০:০০ প্রকাশক : এস,আই,জিন্নাহ পাঠক সংখ্যা : 1741


No Image
Close

গাজীপুরের শ্রীপুরে নোমান শিল্প গ্রুপের ৫ প্রতিষ্ঠানে কর্মবিরতি,বিক্ষোভ,ভাংচুর,লাঠিচার্জ,কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ 

গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলার ইসমাইল টেক্সটাইল লিমিটেড, জারবা টেক্সটাইল লিমিটেড, সুফিয়া কটন এন্ড স্পিনিং মিলস লিমিটেড, সাদ-সান টেক্সটাইল লিমিটেড ও তালহা স্পিনিং মিলস লিমিটেডের শ্রমিকেরা বিভিন্ন দাবীতে কর্মবিরতি দিয়ে বিক্ষোভ শুরু করে। ১০ ফেব্রুয়ারী সোমবার সকাল থেকে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত শ্রমিকেরা কারখানার সামনে বিক্ষোভ করে। কারখানাগুলো নোমান শিল্প গ্রুপের প্রতিষ্ঠান।

বেতন, হাজিরা বোনাস বৃদ্ধি, সরকার ঘোষিত সকল ছুটি প্রদানসহ বিভিন্ন দাবীতে তারা এ বিক্ষোভ করছে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে ৫ রাউন্ড কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করেছে। এতে হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি।

নোমান শিল্প গ্রুপের বিক্ষুব্ধ শ্রমিকেরা জানায়, কারখানা কর্তৃপক্ষ তাদেরকে ১২ ঘন্টা কাজ করিয়ে ৮ হাজার টাকা বেতন দেয়। হাজিরা বোনাস দেওয়া হয় প্রতি মাসে ৫’শ টাকা। তা বাড়িয়ে ৮’শ টাকা করার দাবী করা হয়েছে। সরকার ঘোষিত নিয়মিত সরকারী ছুটি দেওয়া হয়না। এসব কারণে তারা সোমবার সকাল থেকে বিক্ষোভ শুরু করে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, তালহা স্পিনিং মিলস লিমিটেডের বিক্ষুব্ধ শ্রমিকেরা বেলা ১১টার দিকে ওই কারখানায় ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও মূল গেইটে ভাংচুর করে। এক পর্যায়ে তারা ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধের চেষ্টা করে। এসময় পুলিশ বাধা দিলে শ্রমিকেরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে।

গাজীপুর শিল্পাঞ্চল পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) শরীফুল ইসলাম জানান, সড়কে অবরোধের চেষ্টা করলে পুলিশ প্রথমে লাঠিচার্জ ও পরে ৫ রাউন্ড কাাঁদানে গ্যাস ছোঁড়ে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। আবার তারা কারখানা চত্বরে জড়ো হয়। তবে তালহা স্পিনিং মিলস লিমিটেড ছাড়া অন্য সকল কারখানার শ্রমিকেরা তাদের নিজস্ব চত্ত্বরে বিক্ষোভ অব্যাহত রেখেছে।

এ ব্যাপারে নোমান শিল্প গ্রুপের শ্রীপুর জোনের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) নাসিম উদ্দিন সরকার বলেন, শ্রমিকেরা মূলতঃ সরকার ঘোষিত ন্যূনতম মজুরী দাবী করছে। সরকার গার্মেন্ট সেক্টরে বেতন বাড়ালেও টেক্সটাইল সেক্টরে বেতন বাড়ানোর কোনো ঘোষণা দেয়নি। তাই তাদের দাবী অযৌক্তিক। তাছাড়া সরকার ঘোষিত সকল প্রকার ছুটি নিয়মানুযায়ী দেওয়া হয়। উৎসবের ছুটির সময় শ্রমিক কাজে থাকলে শ্রম আইন অনুযায়ী তাদের ওভারটাইম দেওয়া হয়। বিক্ষোভ ও কর্মবিরতি থামাতে শ্রমিকদের সাথে আলোচনা করে বার্ষিক বেতন বাড়িয়ে দেওয়া হবে।



মন্তব্য


বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

আপনি কি মনে করেন তত্ত্বাবধায়ক ছারা দেশে সর্বজন স্বীকৃত- গ্রহন যোগ্য নির্বাচন করা সম্ভব ?

ভোট দিয়েছেন ২৭ জন

পুরোনো ফলাফল দেখুন

বিজ্ঞাপন