তারিখ : ১৮ মে ২০২১, মঙ্গলবার
[ ] [ ] পাঠক সংখ্যা : 1375065


                   ফটোগ্রাফারদের জন্য একটি উন্মক্ত সাইড

ঠাকুরগাঁওয়ের ইটভাটায় কাঠের সাথে পুড়ছে রাবার ও টায়ার, দূষিত হচ্ছে পরিবেশ

প্রকাশকাল : ১/৪/২০১৪ ৮:০০:০০ প্রকাশক : এস,আই,জিন্নাহ পাঠক সংখ্যা : 1720


No Image
Close

ঠাকুরগাঁওয়ের ইটভাটায় কাঠের সাথে পুড়ছে রাবার ও টায়ার, দূষিত হচ্ছে পরিবেশ 

সরকারের আইনের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ, রাণীশংকৈল, হরিপুর ও বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার অধিকাংশ ইটভাটায় অবাধে কাঠের সাথে রাবার ও টায়ার পোড়নো হচ্ছে। এতে পরিবেশে দূষণ বাড়ছে মারাত্মক ভাবে। ফলে জনমনে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র ক্ষোভ। অথচ এব্যাপারে কারো যেন কোন মাথা ব্যাথা নেই। প্রশাসনের নিরবতাকে অনেকে রহস্যজনক বলে উল্লেখ করেছেন। জানা যায়, ঠাকুরগাঁও জেলায় এবার প্রায় ১৬০টি ইটভাটায় ইট তৈরী করা হচ্ছে। এরমধ্যে শতাধিক ইটভাটায় অবাধে কাঠ ও বাঁশের মুড়ির পাশাপশি পরিবেশ দূষণকারী রাবার ও টায়ার পোড়ানো হচ্ছে। রাবার ও টায়ারের গন্ধে ইটভাটার পার্শ¦বর্তী বসতবাড়ির মানুষ দুর্বিষহ ভোগান্তিতে পড়েছে। ঠাকুরগাঁওয়ের বিভিন্ন সড়কের পাশের ইটভাটাসহ জেলার আনাচে-কানাচে বিভিন্ন গ্রামে গড়ে তোলা ইটভাটায় ট্রাক ভর্তি পুরাতন রাবার ও টায়ার এনে পোড়ানো হচ্ছে। দীর্ঘক্ষণ আগুন জ্বলার কারণেই এগুলো পোড়ানো হয় বলে ভাটার শ্রমিকরা জানায়।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, জেলার ১শ’রও বেশী ইটভাটার পাশে প্রচুর জ্বালানি কাঠ, বাঁশের মুড়ি এবং বস্তায় বস্তায় টায়ার ও রাবার স্থুপ করে রাখা হয়েছে। জেলার বিভিন্ন এলাকায় অবস্থিত অধিকাংশ ইটভাটায় পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নেই। পরিবেশ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, রাবার-টায়ার পোড়নো তো যাবেই না, ইটভাটায় যদি কাঠ পোড়ানো হয় পরিবেশ আইন অনুযায়ী সংশ্লি¬¬ষ্ট ভাটা মালিকের সর্বনিম্ন ১লাখ থেকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা হবে। এ ব্যাপারে ঠাকুরগাঁও জেলা ইটভাটা মালিক সমিতির সভাপতি মুরাদ হোসেন বলেন, ছাড়পত্র নবায়ন ছাড়াই এক বছর ভাটা চালানো যায়। প্রথম রাউন্ডে কাঠ, রাবার ও টায়ার পোড়াতে হয়। এতে কোন অনিয়ম করছি না, সব কিছুই আইনের আওতায় করা হচ্ছে বলে তিনি জানান। এদিকে, একাধিক ইটভাটা মালিক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, পত্র-পত্রিকায় যাতে কোন নেতিবাচক খবর প্রকাশিত না হয় সেজন্য প্রতিবছর প্রত্যেক ভাটা মালিকের কাছ থেকে অতিরিক্ত ২হাজার টাকা করে ইটভাটা মালিক সমিতি আদায় করে থাকে। কিন্তু এ অর্থ কোথায় ব্যয় হয় তা তাদের জানা নেই।

অপরদিকে হাওয়া ভাটা ছাড়া পরিবেশ দূষণকারী ড্রাম চিমনি বসিয়ে অনেক ভাটাতে ইট পোড়ানো হচ্ছে। যা সম্পূর্ণ বে-আইনী। এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক ও পরিবেশ অধিদপ্তরের উর্ধতন কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ দাবী করেছেন সচেতন মহল।



মন্তব্য


বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

আপনি কি মনে করেন তত্ত্বাবধায়ক ছারা দেশে সর্বজন স্বীকৃত- গ্রহন যোগ্য নির্বাচন করা সম্ভব ?

ভোট দিয়েছেন ২৭ জন

পুরোনো ফলাফল দেখুন

বিজ্ঞাপন