তারিখ : ১৮ মে ২০২১, মঙ্গলবার
[ ] [ ] পাঠক সংখ্যা : 1375403


                   ফটোগ্রাফারদের জন্য একটি উন্মক্ত সাইড

বাংলাদেশ এবার প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারবে না

প্রকাশকাল : ২৯/৯/২০১৭ ১:৩০:০০ প্রকাশক : ভালুকা ডট কম পাঠক সংখ্যা : 1278


No Image
Close

বাংলাদেশ এবার প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারবে না
চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৪ শতাংশ হবে বলে বিশ্বব্যাংক অনুমান করছে। যদিও সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে ৭ দশমিক ৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করা।বিশ্বব্যাংক মনে করছে, বর্তমানে দক্ষ শ্রমশক্তি গড়ে তোলাই বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ। কারণ বিনিয়োগকারীরা যে ধরনের জনশক্তি চাচ্ছে, সে ধরনের জনশক্তি গড়ে ওঠছে না।

বিশ্বব্যাংক উল্লেখ করেছে, সম্প্রতি বন্যায় দুর্গত ও রোহিঙ্গাদের জন্য যে ত্রাণ দেয়া হচ্ছে তা বাজেটে ছিল না। এ  জন্য বাড়তি চাপ নিতে হচ্ছে সরকারকে।বাংলাদেশের উন্নয়ন পরিস্থিতি নিয়ে এক পর্যালোচনা তুলে ধরে বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের মূখ্য অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন এসব তথ্য জানান।

আজ (বুধবার) সকালে আগারগাঁওয়ে বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসে ডেভেলপমেন্ট আপডেট প্রসঙ্গে এক ব্রিফিং-এ তিনি জানান, সামস্টিক অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা রয়েছে ঠিকই, কিন্তু কর্মসংস্থানের গতি কমে গেছে। বিনিয়োগ, রফতানি ও রেমিট্যান্স প্রবাহে দুর্বলতা রয়েছে। সংস্কারের অগ্রগতিতে স্থবিরতা বিরাজ করছে।এসময় বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর চিমিয়াও ফানও বক্তব্য রাখেন।এর আগে, গত মঙ্গলবার এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক এক বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, এবার বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হবে ৬ দশমিক ৯ শতাংশ।

এ প্রসঙ্গে ইন্টারন্যাশনাল ইনষ্টিটিউট অব ইকোনোমিকস অ্যান্ড পিস- এর প্রেসিডেন্ট ড. অরিফুর রহমান বলেন, অতিবৃষ্টি ও আগাম বন্যার কারণে ফসলহানি এবং অবকাঠামোর যে ক্ষতি হয়েছে সে কথা বিবেচনায় নিয়ে  এডিবি ও বিশ্বব্যাংক অনুমান করেছে এবার প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রাঅ অর্জন করতে পারবে না বাংলাদেশ। তিনি মনে করেন, সরকার যদি সম্পদ সংগ্রহ করতে পারে এবং অবকাঠামোগত উন্নতি করতে পারে তবে সে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা সম্ভব বা তার কাছাকাছি পৌঁছা সম্ভব।

বিশ্বব্যাংকের আজকের ব্রিফিং-এ ড. জাহিদ বলেছেন, আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক মানদণ্ডে বাংলাদেশের জন্য ৬.৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধিও ইতিবাচক। এজন্য শিল্প ও সেবা খাতের প্রতি দৃষ্টি বাড়াতে হবে। জিডিপিতে কৃষির অবদান কমছে। প্রবৃদ্ধির সুফল কর্মসংস্থান খাতে দেখতে পাচ্ছি না। পোশাক শিল্পেও কর্মসংস্থান কমেছে। জিডিপির অনুপাতে ব্যক্তি বিনিয়োগ বাড়েনি।মোট জনসংখ্যার ৩০ শতাংশ ঢাকায় বাস করে। মোট কর্মসংস্থানেরর ৪৫ শতাংশ হলো শিল্পে। ঢাকার বাইরে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও বিনোদনের অভাবের কারণে মান সম্পন্ন কর্মসংস্থান সেখানে করা কঠিন। সরকার যেসব সংস্কার করছে তা ধীর গতি। বড় সংস্কার পিছিয়ে গেছে। বিশ্বব্যাংক বলছে, শুল্ক, উৎপাদন কমে যাওয়া, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও সরকারের সিদ্ধান্তহীনতার কারণে চালের বাজারে অস্থিরতা।

বিশ্বব্যাংকের এ অর্থনীতিবিদ আরো জানান, বাংলাদেশে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। আগামীতে তা  কিছুটা বেড়ে ৬ শতাংশের বেশি হতে পারে। রফতানি প্রবৃদ্ধি দু’অঙ্কে যেতে সময় লাগবে। এ ছাড়া, সামনে জাতীয় নির্বাচনের কারণে সরকার সংস্কার কার্যক্রমে কম আগ্রহী থাকবে।#



মন্তব্য


বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

আপনি কি মনে করেন তত্ত্বাবধায়ক ছারা দেশে সর্বজন স্বীকৃত- গ্রহন যোগ্য নির্বাচন করা সম্ভব ?

ভোট দিয়েছেন ২৭ জন

পুরোনো ফলাফল দেখুন

বিজ্ঞাপন